Wednesday, November 26, 2025

মগজ দখল

📕বই :- মগজ দখল
✍🏻লেখক :- কাজল ভট্টাচার্য
🔖প্রকাশক :- শব্দ
💸মুদ্রিত মূল্য :- ৩৭৫ টাকা 
📌রেটিং :- ৪/৫

📚সংক্ষিপ্ত বিবরণ:- তুঙ্গভদ্রা দাসগুপ্ত, ডাকনামে ঝিলিক, এক মধ্যবিত্ত বাঙালি মেয়ে, যিনি আইআইটি থেকে পড়াশোনা শেষ করে আমেরিকায় যান। সেখানে অজান্তেই তিনি জড়িয়ে পড়েন সিআইএর এক গোপন গবেষণায়। কিন্তু সেই কাজের উদ্দেশ্য যখন ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়—মানুষের মস্তিষ্ক ও চিন্তাকে গোপনে নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টা—তখন ঝিলিক দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করে। ফলস্বরূপ চাকরি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত তার জীবনে নিয়ে আসে এক অনাকাঙ্ক্ষিত বিপদ ও এক দুঃসাহসিক সংগ্রাম।
              বিদেশে এক মারাত্মক দুর্ঘটনার শিকার হয়ে, মাথায় গুরুতর চোট নিয়ে, কয়েক মাস কাটাতে হয় মিসেস ইভান্সের বাড়িতে। সুস্থ হয়ে ব্যারাকপুরের বাড়ি ফিরলেও, অপারেশনের পর থেকেই তার জীবন আমূল পাল্টে যায়। শরীর ও মনের ওপর নানান অদ্ভুত প্রভাব দেখা দিতে থাকে। এই লড়াইয়ে তার পাশে থাকে প্রেমিক অভিষেক এবং তার পরিবার।
       অভিষেক ইন্টারনেটের খোঁজাখুঁজি করে জানতে পারে যে ঝিলিকের মাথায় বসানো হয়েছে এক বিশেষ মাইক্রোচিপ, যার মাধ্যমে আমেরিকা থেকে বসে তার চিন্তা ও আচরণ নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। ঘটনাগুলি ক্রমশ অদ্ভুত ও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে—সাইকিয়াট্রিস্ট ডাঃ মধুরিমা মিত্রর পরামর্শ, "র"–এর প্রাক্তন কর্মী কৃষ্ণমূর্তির সঙ্গে যোগাযোগ, এবং একের পর এক রহস্যময় হামলা সম্পূর্ণ বিষয়কে আরও জট পাকিয়ে তোলে।
পাশাপাশি গল্প এগোতে থাকে সমান্তরাল পথে—একদিকে আমেরিকার সিআইএ, অন্যদিকে ইসরায়েলের মোসাদ, উভয়ের লক্ষ্য একই—মানুষের মস্তিষ্কের ওপর দখল নেওয়া। ঝিলিক ও তার সহযাত্রী ফ্রিডা, যিনি সরাসরি বা পরোক্ষভাবে মোসাদের সঙ্গে যুক্ত, একসময় তৈরি করে ‘সাইলেন্ট সাউন্ড স্প্রেড স্পেকট্রাম’–এর ওপর ভিত্তি করে এক বিপ্লবী মডেল। ঝিলিক সাহায্য করে ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক তরঙ্গের মাধ্যমে কীভাবে মানুষের মস্তিষ্কে সিগন্যাল পাঠানো সম্ভব সেই গবেষণায়, যা তাকে আমেরিকার কাছে অমূল্য সম্পদে পরিণত করে।
কিন্তু একসময় তার মাথার চিপ অকেজো হয়ে গেলে সমস্যার রূপ আরও জটিল হয়। সমাধানের আশায় খোঁজ মেলে সিঙ্গাপুরের এক নিউরো সার্জনের, যিনি সম্ভবত চিপ শনাক্ত করে অপসারণ করতে পারবেন। সিঙ্গাপুরে গিয়ে ঘটে একের পর এক শিহরণ জাগানো ঘটনা। দেশে ফেরার পরও ঝিলিক জড়িয়ে পড়ে ছোটবেলার বন্ধু রুহা ও তার সঙ্গী মেহেরের জীবনে। গল্পের স্রোত একসঙ্গে বহু পথে এগোতে থাকে।

🌻পাঠ প্রতিক্রিয়া :- অসাধারণ Sci-fi Spy thriller একটি বই পড়লাম। বইটি পড়তে গিয়ে বেশ কিছু জায়গা পড়ে রীতিমতো চমকে উঠেছি। তবে বইটি পড়তে গিয়ে মনে হয়েছে নন ফিকশন এর ছোঁয়া রয়েছে এবং বহু অজানা প্রযুক্তির সম্পর্কে গুছিয়ে তথ্য দেওয়া যা পড়তে গিয়ে অনেক অজানা তথ্য সামনে এসেছে। শুধু ‘ডার্ক ওয়েব’ নয়, ‘টর’ (দ্য অনিয়ন রাউটার), সিনথেটিক টেলিপ্যাথি, ন্যানোবটের মতো চমকপ্রদ তথ্য সম্পর্কে জানতে পেরেছি, বিস্মিত এবং অবাক হয়েছি। প্রযুক্তি কোথায় গিয়ে দাঁড়াতে পারে, মানুষের জীবনে তার প্রভাব কতটা গভীর হতে পারে এবং কীভাবে এই প্রযুক্তির অন্ধকার দিককে কাজে লাগিয়ে ক্ষতি সাধন করা যেতে পারে সেই নিয়েই রোমাঞ্চকর এক অভিজ্ঞতা হল এই বই পড়ে। তবে প্রথম ৫৫ পাতা ঝড়ের গতিতে এগোলেও মাঝে কিছুটা থমকে গেছিলাম, তবে শেষটা পড়ে আবার সেই অনুভূতি ফিরে এলো। ঝিলিক, তার পরিবার, বন্ধু ও প্রেমিক—সবাই কিভাবে এই জটিল খেলায় জড়িয়ে পড়ে, আর তার পরিণতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, তা জানতে হলে বইটি অবশ্যই পড়তেই হবে। 

⭕যে যে খারাপ দিক চোখে পড়ল--
১. বেশ কিছু জায়গায় বানান ভুল রয়েছে
২. কোথাও রথীন্দ্রবাবু, কোথাও রবীন্দ্রবাবু, কোথাও রাতুল, কোথাও রাহুল।
৩. টাইপিং মিস্টেক রয়েছে।

বাদ বাকি পুরো বইটি পড়ে অবশ্যই মন ভরবে এবং পেজ কোয়ালিটি আর প্রচ্ছদ ভালো লাগার জন্য যথেষ্ট। 


অনাত্মিয়া

📕বই :- অনাত্মীয়া
✍🏻লেখক :- শুচিস্মিতা ধর
🔖প্রকাশক :- বিভা 
💸মুদ্রিত মূল্য :- ১৭৭ টাকা 
📌রেটিং :- ৩/৫
📚সংক্ষিপ্ত বিবরণ: -
আনন্দনগরের ভৌমিক পরিবারের ওপর যুগযুগান্তের এক কালো অভিশাপ বর্তমান। এই জমিদার বাড়ির নববধূদের ভাগ্য সবসময়ই মৃত্যুর ছায়ায় আচ্ছন্ন। যখনই বিয়ের আয়োজন হয় কিংবা বাড়ির ছেলে বিয়ে করে ঘরে বউ আনে তখনই উঠোনের ধারে দাঁড়িয়ে থাকা নারকেল গাছ থেকে নেমে আসে এক ভয়ঙ্কর চারপেয়ে পিশাচ। তার রক্তপিপাসু ছোবলে একে একে নিঃশেষ হয় পরিবারের প্রাণ। বাড়ির ভেতর দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে প্রতিশোধের আগুন। বংশের শেষ প্রদীপ নিভলেই মুক্তি মিলবে সেই পিশাচের, আর তার ধ্বংস লুকিয়ে আছে বাড়ির মাটির তলায় পোঁতা এক পচা লেবুর মধ্যে। মৃত্যুর ছায়া আর বৈধব্যের অভিশাপে জর্জরিত এই পরিবার মুক্তি পাবে কীভাবে? আর ভৌমিক বাড়ির সাথে এই পিশাচের আসল সম্পর্কটাই বা কী? জানতে হলে পড়তে হবে এই রহস্যঘেরা ভৌতিক কাহিনী।
বইটিতে 'অনাত্মীয়া' এবং 'অলিভিয়া' নামে দুটি গল্প রয়েছে। দুটি গল্পই একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত। 

🌻পাঠ প্রতিক্রিয়া:
প্রচ্ছদ এবং গল্পের বুনোন ভালো লেগেছে, বিশেষত ভৌমিকপরিবারের কালো দিক জানার পর পিশাচিনির আগমন এবং পরিবারকে বংশ ছাড়া করে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা গল্পটিকে উত্তেজনা পূর্ণ করে তুলেছে। তবে বইটিতে বেশ কিছু জায়গা ভয়ের আবহ সৃষ্টি করার জন্য এক রকমের বাক্য একঘেয়ে করে তুলেছে।বাক্যগঠন বেশকিছু জায়গায় অপরিণত মনে হয়েছে। তন্ত্র সাধনার ফলে জন্ম নেওয়া নারকেল গাছের বাঙালি পিশাচকে এক্সরসিজম এর মাধ্যমে তাড়ানোর ঘটনা প্রচন্ড চোখে লেগেছে। 
"অলিভিয়া" গল্পে চরিত্র ও পটভূমি আরও জোরালো করা যেতে পারত। গল্পটা যেন দুম করে শেষ হয়ে গেল মনে হল আর ক্লাইম্যাক্স আরও জোরদার করা যেতে পারত। যারা নিয়মিত হরর সিনেমা দেখেন, তাদের কাছে খুব একটা ভয়ের লাগবে না। ভয়ের আবহ আরও ভালো ভাবে তৈরী করা যেতে পারত। 
তবে প্রচ্ছদ নিয়ে অভিযোগ নেই, গা ছমছমে একটা অনুভূতি কাজ করেছে সেক্ষেত্রে অভিব্রত সরকারবাবুকে ধন্যবাদ জানাই।
আপনারা যারা ভৌতিক উপন্যাস পড়তে ভালোবাসেন, তারা এই বইটি অবশ্যই সংগ্রহ করতে পারেন। অন্তত একবার বইটি পড়ে দেখাই যায়।

পাঁচ রঙের প্রেম

📗বই :- পাঁচ রঙের প্রেম
✍🏻লেখিকা :- হিমাদ্রি কিশোর দাসগুপ্ত
🔖প্রকাশক :- পত্রভারতী
💸মুদ্রিত মূল্য :- ৬৪৯ টাকা 
📌রেটিং :- ৪/৫

🔹সংক্ষিপ্ত বিবরণ :- এই বইতে মোট ৫টি উপন্যাস রয়েছে যেখানে পাঁচ ভিন্ন ধরণের প্রেমের মুখোমুখি হবেন পাঠক এবং সেই ভিন্ন পাঁচ রঙের প্রেম দেখিয়ে যাবে সমাজের বিভিন্ন রূপকে। সংক্ষেপে জেনে নিন উপন্যাস সম্পর্কে --
১. পরিবাড়ির পরি :- জীবনের প্রায় শেষ বয়সে এসেও শরদিন্দু স্যার আজও সকলের প্ৰিয় এবং এখনও কর্মরত। সেই স্কুলেই পড়ে কিংশুক যাকে একদিন শরদিন্দু স্যার বৃত্ত আঁকতে শেখাতে গিয়ে অর্ধ বৃত্ত এঁকেই হাত থমকে যায়। পরে সেই অর্ধ বৃত্ত এঁকেই অন্য এক স্যারের ক্লাসে বেধড়ক মার খায় সে। কিংশুকের বাবা অনির্বান মানসিক ভারসাম্যহীন, মা তিথিই চালান সংসার।
অন্যদিকে বহুবছর পর কলকাতায় ফেরেন বসুধরা তাঁর পরিবাড়ি বিক্রি করতে এবং তিনি জানতে পারেন শরদিন্দু স্যারের কথা। পুরোনো স্মৃতিতে ফিরে যান পুরোনো সময়ে, তারপর?

২. যক্ষ সম্পাত :- অনিমার ছোটো থেকেই মেয়ে হয়ে জন্মানো সত্ত্বেও ছেলেদের মতন হাবভাব। বন্ধুরা মাঝে মাঝে খ্যাপাতঅ এই কারণে। যত দিন যেতে থাকে অনিমা ভেতরে ভেতরে গুমরে গুমরে মরে।
      অনিকেত বহুদিন ধরেই ট্রান্সজেন্ডারদের ব্যাপারে রিসার্চ করছে। হঠাৎ এক আর্ট এক্সিবিশনে সোমকের সাথে পরিচয় হয় তার আঁকার সুবাদে। সে যত দিন যায় আরও তথ্য সংগ্রহ করতে থাকে পাশাপাশি তার মেডিক্যাল ট্রিটমেন্টও চলতে থাকে। অনিকেত ভালোবাসে কাজলকে। কাজল দেশে ফেরার পর বিয়ে করতে চায় কিন্তু তাদের সম্পর্ক একটি কারণে ভেঙে যায়। ভেঙে পরে অনিকেত। তারপর?

৩. পরিক্রমণ :- হৈমবতী শেষ বয়সে এসেও বেশ ফিট। নাতনি টুপুরের সাথে বেশ ভাব। পাখি আসার মরসুমে দুই বামনি পাখির পায়ে বেড় পরিয়েছিলেন। টুপুরের সাথে ঋক এর সম্পর্ক আছে। ঋকও পাখি ভালোবাসে। 
   চন্দনার কষ্টের জীবন। স্বামী মাতাল অবস্থায় প্রায় দিনই তাকে মারে। চন্দনা ভালোবাসে আর একজনকে।
প্রত্যেকের জীবন জড়িয়ে থাকে একে অপরের সাথে। জীবনের পরিক্রমণে বদলে যায় পরিস্থিতি।

৪. প্রেম সমকামী :- অহনার ম্যাগাজিনে সমকামিতা নিয়ে লেখার জন্য রুদ্রানীর সাথে পরিচয় হয়। সে প্রথমবার LGBTQ কমিউনিটির অনুষ্ঠানে গিয়ে দেখে রুদ্রানী-শ্যামলীর মতন আরও অনেকে আছে যারা সমপ্রেমে লিপ্ত। নীল জানতে পেরে অহনাকে বারণ করে এসব লেখার জন্য। অহনা তবুও রিসার্চ চালিয়ে যায়। নীলের সাথেও সম্পর্ক এগিয়ে বিয়ে অবধি গড়ায় কিন্তু ঠিক যেদিন অহনার পরিবার বিয়ের পাকা কথা বলার জন্য নীলের বাড়ি যায় তখনই ঘটে এক বিপদ। কী হয়েছিল?

৫. একদা এক পানশালাতে :- চন্দন পানশালা নিয়ে লেখার জন্য পার্ক স্ট্রিটের বিদিশা বারের খোঁজ পায় বন্ধু শীর্ষেন্দুর মারফত। ক্রমাগত সেখানে যেতে যেতে অভ্যাসে দাঁড়ায়। একদিন শোনা যায় এক বিদেশিনী ধর্ষণ হয়েছে সেখানে বিদিশা বারের নাম জড়িয়ে পড়েছে। ফলে পানশালা বন্ধ হয়ে যাবে খবর আসে সেই খবরে চন্দন ভেঙে পরে তারপর?

🔸এই বই পাঁচ প্রেমের গল্প বলে যায় যা দেখিয়ে যায় প্রেম বা ভালোবাসা জাতি ধর্ম বর্ণ লিঙ্গ নির্বিশেষে মনের টানে ঘটে। প্রেম মুক্তি দাবি করে। প্রেম বাঁচার কারণ হয়ে ওঠে মানুষের কাছে। আর এই বই সমকামী প্রেম থেকে ট্রান্সজেন্ডারের ভালোবাসাও দেখিয়ে যায়। তাই এক কথায় এই বই পড়ুন এবং ভালোবাসাকে অনুভব করুন।


দ্য ম্যাজিশিয়ান

📕বই :- দ্য ম্যাজিশিয়ান
✍🏻লেখক :- তুষার কান্তি মাহাতো 
🔖প্রকাশক :- BIVA Publication 
💸মুদ্রিত মূল্য :- ২৫৫ টাকা 
📌রেটিং :- ৪/৫

🔸সংক্ষিপ্ত বিবরণ:- নবীন এবং আনন্দ, দুই বন্ধু, ম্যাজিক দেখিয়ে দিন চলে, চোখে বড়ো স্বপ্ন একদিন বড়ো ম্যাজিশিয়ান হবার। আনন্দ মাদারীর খেলা দেখায়, নবীন পেশাদার পকেট মার।
ভিড় বাসে, ট্রেনে নবীনের হাতের খেলায় বেশ ভালো টাকাই পকেটস্থ হয়। রয়েছে পকেটমারি শেখার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র যেখানে সুনিপুন ভাবে ট্রেনিং চলে। ধীরে ধীরে গল্পে আসে রত্না, টুম্পা বৌদি, ছবি এবং স্বপ্না সুন্দরী। যে চার নারীর উপস্থিতি এক অন্য মাত্রা এনে দেয় গল্পে। বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় আনন্দ আর নবীনের জীবন বাঁধা পড়ে থাকে কখনো রত্নার সাংসারিক হাতের ছোঁয়ায় আবার কখনো টুম্পা বৌদির আকর্ষণে।
পাশাপাশি পাঞ্জা, রঘু, হারান মন্ডল, গবেষক চিত্ত পাল সহ আরও নানা পার্শ্ব চরিত্র ও উঠে এসেছে।

🔹পাঠ প্রতিক্রিয়া :- আমাদের জীবনটাই একটা ম্যাজিক শো যেখানে প্রতিদিন প্রতিনিয়ত খেলা দেখিয়ে বেড়াচ্ছে কত মানুষ আমাদেরই চারপাশে আর সেখানে আমরা কখনো দর্শক কখনো বা সেই খেলার অংশ। লেখক যেভাবে একদম নিম্নবিত্ত মানুষদের কথা তুলে এনেছেন, দেখিয়েছেন তাদের জীবন সংগ্রাম আর যেভাবে তারা বেআইনিভাবে জীবিকা নির্বাহ করে চলেছে তা অনেক কিছু শিখিয়ে যায় তাদের সম্পর্কে। 
বইটি পড়তে পড়তে জানতে পারি পকেট মারির নানা কোড নাম সম্পর্কে যেমন "বান্দর","নিগরান","থলেবালা","সরকার", যাদের সংবদ্ধ কাজেই হাসিল হয় টাকা।
এই বই মায়া, প্রেম, বঞ্চনা, খিদে, টিকে থাকার লড়াই দেখায়, দেখায় সমাজের অদেখা দিক, আর এই বই এক নিদর্শন হয়ে দাঁড়ায় এক চরম বাস্তবের।
অবশ্যই পড়ুন "দ্য ম্যাজিশিয়ান"....

লকড রুম রহস্য সংকলন

📙বই :- লকড রুম রহস্য সংকলন  ✒️লেখক :- অমৃতেন্দু মুখোপাধ্যায়  🔖প্রকাশনী :- অনুরাগ প্রকাশনী  💰মুদ্রিত মূল্য :- ২৭৫ টাকা  ৫টি স্...